শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:০০ পূর্বাহ্ন
মো: রেজাউল করিম রয়েল, শ্রীনগর(মুন্সীগঞ্জ)প্রতিনিধি::
১৯৭৫’র ৭ই নভেম্বর শুধু একটা তারিখই ছিল না, এটা ছিল সর্বোত্তভাবে দেশের স্বাধীনতা, অখন্ডতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা, গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক, ন্যায় বিচার ও আইনের শাসন এবং জনগনকে সুরক্ষা করে উন্নয়নের দিকনির্দেশনার এক সংগ্রামের নাম “জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস”। যেখানে সিপাহী জনতার সম্মিলিত সংগ্রামের সফলতা ৭ই নভেম্বর। স্বাধীনতার ঘোষক, বীর মুক্তিযাদ্ধা, বীর উত্তম শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মুক্তির মাধ্যমে সমগ্র জাতিকে অন্ধকার থেকে আলোর পথ দেখান। পরবর্তীতে বাকস্বাধীনতা, বহুদলীয় গনতন্ত্র সৃষ্টি করে ১৯ দফা কর্মসূচী প্রণয়ন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জনগনকে উপহার দেন। সেই উপলক্ষে গত ৮ নভেম্বর (রবিবার) টোকিও হিগাশীজুজ হলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি জাপান শাখার আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বিএনপি জাপান শাখার সভাপতি আলহাজ্ব নুর-এ-আলম (নূরআলী)‘র সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজ সেবক, মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর সোসাইটি জাপানের সাধারন সম্পাদক, বিএনপি জাপান শাখার প্রধান উপদেষ্টা এমডি, এস, ইসলাম নান্নু, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, ঢাকা ক্লাব জাপানের সভাপতি, সাবেক ছাত্রনেতা, বিএনপি জাপান শাখার সহ-সভাপতি এমদাদ মনি।
এছাড়াও প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- সাবেক ছাত্রনেতা, বিএনপি জাপান শাখার যুগ্ম সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন ডিও। এসময় মঞ্চে আরও উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ নজরুল ইসলাম রনি, বিএনপি জাপান শাখার সিনিয়র নেতা মোঃ জসীম উদ্দিন, বিএনপি জাপান শাখার সিনিয়র নেতা ও সহ প্রচার সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন দপ্তরী।
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নুর খান রনির পরিচালনায় আলোচনা সভার শুরুতেই পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন মোঃ আবুল খায়ের ভূইয়া। এরপর বিএনপি নেতাকর্মীসহ প্রাণঘাতী করোনায় মৃত সকলের রূহের মাগফিরাত কামনা এবং তাদের স্মৃতির প্রতি সন্মান জানিয়ে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
দিবসটির তাৎপর্য বর্ননা করে বিএনপি জাপান শাখার সভাপতি আলহাজ্ব নুর-এ-আলম নুরআলী তার সমাপনী বক্তৃতায় বলেন, নতুন প্রজন্ম গতিশীল নতুন মুখ রাজনীতির গতিকে ত্বরান্বিত করায় অতিদ্রুত গতিতে নতুন প্রজন্ম ও গতিশীল যোগ্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন নেতাদেরকে দিয়ে বিএনপি জাপান শাখা নতুন কমিটি উপহার দিতে সক্ষম হব বলে মনে করি।
প্রধান অতিথি এমডি এস ইসলাম নান্নু বক্তৃতায় সকলকে বিভক্তি ভুলে এক সাথে কাজ করার আহ্বান জানান। যোগ্য নেতাকে অবশ্যই যথাযোগ্য স্থানে সম্মান দেওয়া হবে। আওয়ামী বাকশালীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গড়ে তুলে দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি করে দেশে গনতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে হবে। বিশেষ অতিথী সহসভাপতি মনি এমদাদ বলেন, দীর্ঘ প্রায় দশ বছর নতুন কমিটি না হওয়ায় দলের যোগ্য নেতাকর্মীকে মূল্যায়ন করা যাচ্ছে না। দীর্ঘ সময় মুলদল সহ অংগসংগঠনকে সুসংগঠিত করার লক্ষে কাজ করে আসছি। সকলের চেষ্টায় দল এখন সুসংগঠিত তাই প্রথমে সম্মেলনের মাধ্যমে অংগসংগঠনের পুর্ন কমিটি, স্বল্প সময়ের মধ্যেই সকলকে নিয়ে ঘোষনা করা হবে। পর্যায়ক্রমে সম্মেলনের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের ভোটে অতি দ্রুত মুলদল গঠন করা হবে।
প্রধান বক্তা সাবেক ছাত্রনেতা বিএনপি জাপান শাখার যুগ্ম সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন ডিও বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক, বীর মুক্তিযাদ্ধা, বীর উত্তম, শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাধ্যমে যেভাবে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি হয়েছিল। সেভাবে আর একটি জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দরকার। যেখানে নের্তৃত্ব দেবেন তারুন্যের অহংকার ভবিয্যৎ রাষ্টনায়ক জনাব তারেক রহমান। তাই দলের প্রতি সকলকে একাত্বতা প্রকাশ করে জনমত গড়ে রাজপথে সংগ্রাম করে হাসিনার পতন ঘটাতে হবে।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ নজরুল ইসলাম রনি, দলের সিনিয়র নেতা মোঃ জসীম উদ্দিন, বিএনপি জাপান শাখার সিনিয়র নেতা ও সহ প্রচার সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন দপ্তরী, সাবেক সাধারন সম্পাদক যুবদল জাপান শাখা শেখ মাকছুদ আলী মাসুদ, চিবা জেলা বিএনপি’র সভাপতি শেখ রফিকুল ইসলাম রফিক, সাধারন সম্পাদক মো:শাহিন, কানাগাওয়া জেলা বিএনপির সভাপতি মো: আবতাফ উদ্দিন, সাধারন সম্পাদক কামরুল হাসান পল, প্রচার সম্পাদক স্বপন বেপারী, বিএনপি জাপান শাখার আব্দুল হাইয়ুল, তানভির আহমেদ, সামছুল হুদা রুমন, যুবদলের মোঃ আবুল খায়ের ভুইয়া, মোঃ নজরুল ইসলাম রাজীব, মোঃ মনির হোসেন, হারুন রাজু, মুজাহিদুর রাহমান জুয়েল, মাহফুজুর রাহমান সােহেল, আনিসুল ইসলাম আনিস, সুমন ভূইয়াঁ, নূরুল হায়দার, নাসির হােসেন, বাবুল হোসেন সুমন প্রমুখ।
ছাত্রদলের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন আনোয়ার হোসেন রনি, মোল্লা সেলিম আহমেদ, শরীফ শিকদার, শাকিল রহমান, শাহরিয়ার আহমেদ সিফাত। সময় স্বল্পতার কারনে অনেকেই বক্তব্য দিতে পারে নি। প্রোগ্রামে উপস্থিত ছিলেন নাসির হোসেন, রাশেদুল হাসান, মোঃ সজিব মিয়া, মারুফ হোসেন, সিফাতুর রহমান, মোবারক হোসেন সোহাগ, সোহেল রানা, মোল্লা শাহীন আহমেদ, শাহ পরান, রিদোয়ান আহমেদ দু্র্জয়, এমদাদ নিরব, এমদাদুল হক, জহির হোসেন, শাকিল হোসেন সহ অসংখ্য ছাত্রদল নেতা-কর্মী।